সূচনা : প্রকৃতির চেয়ে বড়ো শিল্পী পৃথিবীতে আর নেই। তাঁর শিল্প-সৃষ্টি যে কত সুন্দর আর কত নিখুঁত,
প্রজাপতি নামক পতঙ্গটির দিকে তাকালেই আমরা তা বুঝতে পারি। প্রকৃতি সত্যিই লীলারঙ্গী, তার লীলা বোঝা ভার। যে প্রজাপতির রূপের প্রশংসায় আমরা পঞ্চমুখ, সে তার জীবনের চারটি স্তরের তিনটি স্তর পর্যন্ত থাকে নিতান্তই কুৎসিত—তারপর চতুর্থ স্তরে সে কেমন করে অমন রূপময় হয়ে ওঠে, তার ব্যাখ্যা দেওয়া মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। মানুষ কত সাজগোজ করে সুন্দর হবার চেষ্টা করে, কিন্তু প্রজাপতির
মাধ্যমে প্রকৃতি কুৎসিতকে সুন্দর করার যে নিদর্শন রাখেন, তা পৃথিবীর সেরা রূপচর্চাকরেরও বুদ্ধির বাইরে।
প্রজাপতি নামক পতঙ্গটির দিকে তাকালেই আমরা তা বুঝতে পারি। প্রকৃতি সত্যিই লীলারঙ্গী, তার লীলা বোঝা ভার। যে প্রজাপতির রূপের প্রশংসায় আমরা পঞ্চমুখ, সে তার জীবনের চারটি স্তরের তিনটি স্তর পর্যন্ত থাকে নিতান্তই কুৎসিত—তারপর চতুর্থ স্তরে সে কেমন করে অমন রূপময় হয়ে ওঠে, তার ব্যাখ্যা দেওয়া মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। মানুষ কত সাজগোজ করে সুন্দর হবার চেষ্টা করে, কিন্তু প্রজাপতির
মাধ্যমে প্রকৃতি কুৎসিতকে সুন্দর করার যে নিদর্শন রাখেন, তা পৃথিবীর সেরা রূপচর্চাকরেরও বুদ্ধির বাইরে।
আকৃতি : প্রজাপতির শরীরের তিনটি অংশ : মাথা, বুক ও পেট। এটি পতঙ্গ শ্রেণির প্রাণী। অন্যান্য পতঙ্গের মতোই এরও ছটি পা। পাগুলি প্রজাপতির বুক থেকে বেরোয়। প্রজাপতির দুটি ডানা আছে। ডানাগুলি বর্ণময়। ডানাদুটির সাহায্যেই এরা এক ফুল থেকে অন্য ফুলে উড়ে বেড়ায়।
বৈশিষ্ট্য ও খাদ্য : প্রজাপতির জীবনের চারটি স্তর : প্রথম স্তরে এরা থাকে ডিম অবস্থায়। দ্বিতীয় স্তরে ডিম পরিবর্তিত হয় শূককীট বা শুঁয়োপোকায়। শুঁয়োপোকাগুলি দেখতে বিশ্রি, এদের সারা গায়ে থাকে রোঁয়া। এরা গাছের পাতা খেয়ে জীবনধারণ করে। তৃতীয় স্তরে শুককীট পরিবর্তিত হয় মূককীটে। গোটা মুককীটটি একটি খোলসে ঢাকা থাকে। এই খোলসের নীচে মূককীটের হয় নানা পরিবর্তন। অবশেষে একদিন খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসে বর্ণময় প্রজাপতি। তখন সে ফুলে ফুলে মধু খেয়ে বেড়ায়।
উপসংহার : প্রজাপতি প্রকৃতির অনবদ্য সৃষ্টি। রঙিন ফুলের উপরে সে যখন তার বহুবর্ণরঞ্জিত শরীর ও
ডানাদুটি মেলে বসে, তখনকার সৌন্দর্যের তুলনা মেলা ভার। অবশ্য, কেবল প্রকৃতির শোভা বৃদ্ধি করতেই নয়, সৃষ্টির কাজেও প্রজাপতির অবদান রয়েছে। প্রজাপতি যখন কোনো ফুলের উপরে বসে, তখন তার গায়ে-পায়ে ওই ফুলের রেণুগুলি লেগে যায়। এরপর যখন সে আর একটি ফুলের উপরে বসে, তখন ওই রেণুগুলির দ্বারা পরাগমিলন হয় এবং এভাবে প্রজাপতি গাছের বংশবিস্তারে সাহায্য করে।
ডানাদুটি মেলে বসে, তখনকার সৌন্দর্যের তুলনা মেলা ভার। অবশ্য, কেবল প্রকৃতির শোভা বৃদ্ধি করতেই নয়, সৃষ্টির কাজেও প্রজাপতির অবদান রয়েছে। প্রজাপতি যখন কোনো ফুলের উপরে বসে, তখন তার গায়ে-পায়ে ওই ফুলের রেণুগুলি লেগে যায়। এরপর যখন সে আর একটি ফুলের উপরে বসে, তখন ওই রেণুগুলির দ্বারা পরাগমিলন হয় এবং এভাবে প্রজাপতি গাছের বংশবিস্তারে সাহায্য করে।