বড়োদিন - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Christmas Day | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের শ্রেষ্ঠ উৎসব বড়োদিন। ২৫ ডিসেম্বর ঈশ্বরপুত্র যিশুর জন্মদিনে এই উৎসব পালিত হয়। খ্রিস্টান ধর্মের উপাসনালয়কে গির্জা বলে। গির্জাগুলো আলোয় সাজানো হয়। খ্রিস্টানরা নতুন পোশাক পরে গির্জায় যান উপাসনায় যোগ দিতে। বাইবেল পাঠ ও প্রার্থনা সঙ্গীত হয়। বাড়ির সামনে খ্রিস্টমাস ট্রি সাজানো হয়। ছোটোদের মনে এই বিশ্বাস আছে যে, বুড়ো সান্তাক্লজ তাদের জন্য উপহার রেখে যাবেন। বড়ো দিনের প্রিয় খাবার কেক। এই সময় দোকানে দোকানে কেক কেনার জন্য মানুষের ভিড় জমে ওঠে। বড়োদিনও এখন বাংলার বারোমাসে তেরো পার্বনের অন্যতম এক উৎসব।

ইদ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Eid | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

মুসলমান সম্প্রদায়ের শ্রেষ্ঠ উৎসব হল ইঁদ। ইদ বছরে দুবার পালন করা হয়— ইদ-উল-ফিতর ও ইদুজ্জোহা। প্রথম ইদ হল সংযমের উৎসব। ধর্মপ্রাণ মুসমলানেরা একমাস উপবাস করেন। একে বলে ‘রোজা’। যে মাসে এই রোজা পালিত হয় সেই মাসের নাম রমজান মাস। তারপর রমজান মাস শেষ হলে প্রতিপদের চাঁদ দেখে ‘ইদ’ পালন করা হয়। ওই দিন মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষরা নতুন জামা-কাপড় পরে মসজিদে সমবেত হয়ে নামাজ পড়েন এবং পরস্পরকে আলিঙ্গনের মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানান। বিভিন্ন জায়গায় ইদ উপলক্ষে মেলা বসে। দূর দূরান্তের মানুষ এই সময় ঘরে ফিরে আসে। ইদ মিলনের উৎসব। সব ভেদাভেদ ভুলে মানুষ এই দিনটিতে আনন্দে মেতে ওঠে।

চা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Tea | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সকালে খবরের কাগজের সঙ্গে বা বাড়িতে অতিথি আপ্যায়নের অন্যতম প্রধান উপকরণই হল চা। সাধারণত পাহাড়ের ঢালু জমিতে যেখানে প্রচুর বৃষ্টি হয় কিন্তু জল দাঁড়ায় না, সেইসব জায়গায় চা ভালো উৎপন্ন হয়। তাই দার্জিলিং, অসম, নীলগিরির পার্বত্য অঞ্চলে চা বেশি উৎপন্ন হয়। চা গাছ গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। এরা প্রায় ১৫ থেকে ২০ বছর বাঁচে। চা গাছের নতুন পাতা হলে সেই পাতা তুলে কারখানায় শুকিয়ে আধুনিক পদ্ধতিতে চা উৎপাদন হয়। চিন, জাপান, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানেও চায়ের চাষ হয়। তবে ভারতের চা খুব উৎকৃষ্ট মানের। চা পান করলে একদিকে যেমন শরীর ভালো থাকে, আবার অতিরিক্ত চা পানে তেমনি শরীর খারাপ হয়।

বিড়াল - বাংলা রচনা | Bengali Essay on The Cat | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

বিড়াল অতি পরিচিত গৃহপালিত প্রাণী, অনেকটা বাঘের মতো দেখতে বলে বিড়ালকে বলা হয় ‘বাঘের মাসি।' অনেকে শখ করে বাড়িতে বিড়াল পোষে। বিড়াল সাদা, কালো, খয়েরি ইত্যাদি নানা রঙের হয়। এদের চার পায়ের নীচে নরম মাংস পিন্ড দ্বারা গঠিত প্যাড থাকে। এই জন্য বিড়াল হাঁটলে কোনো শব্দ হয় না। এদের পায়ে তীক্ষ্ণ নখ থাকে। নাকের দুদিকে কয়েক গোছা লম্বা গোঁফ দেখা যায়। চোখ দুটোও বেশ গোলাকার। বিড়াল মাছ, মাংস, ডিম, দুধ বেশি পছন্দ করে। সুযোগ পেলে এরা ইঁদুর শিকার করে। মানুষের আদর ভালোবাসে। মাছ, মংসের গন্ধ পেলে মিউমিউ করে ডাকে। এরা অন্ধকারে দেখতে পায়। তবে কুকুরের মতো প্রভুভক্ত নয়।

মঙ্গলে রোবট-যান - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Robots on Mars | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সূচনাঃ সৌরজগতের আটটি গ্রহের মধ্যে সূর্য থেকে দূরত্ব অনুসারে মঙ্গল হল চতুর্থ গ্রহ। সূর্যের সবচেয়ে কাছে হল বুধ, তার শুক্র, তারপর আমাদের পৃথিবী, এরপর মঙ্গলের অবস্থান। 

মঙ্গলের বৈশিষ্ট্য ঃ সূর্য থেকে মঙ্গলের গড় দূরত্ব প্রায় ২২ কোটি ৬০ লক্ষ কিমি.। এর দুটি উপগ্রহ—ফোবোস এবং ডিমোস। খালি চোখে মঙ্গলকে লাল রঙের দেখায়, তাই এর নাম ‘লাল গ্রহ'। সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরে আসতে মঙ্গলের সময় লাগে ৬৮৭ দিন। মঙ্গলের দুই মেরু পৃথিবীর মেরুদুটির মত বরফে ঢাকা। মঙ্গলের মাটি গোলাপি রঙের, মাটির উপরে ছড়ানো রয়েছে ভারি ভারি পাথর।

মঙ্গলে রোবট রোভার বা স্বয়ংক্রিয় চক্রযান ঃ মঙ্গলের মাটি এবং পাথর পরীক্ষা ও বিশ্লেষণ করে সত্যিই সেখানে জীবনের অস্বিত্ব ছিল বা আছে কিনা, তা নির্ণয়ের লক্ষ্যে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের নাসার বিজ্ঞানীরা একটি স্বয়ংক্রিয় চক্রযান পাঠিয়েছেন মঙ্গলে। ছ চাকার, প্রায় এক টন ওজনের স্বয়ংক্রিয় ওই যানটির নাম ‘কিউরিয়োসিটি’ (কৌতূহল)। ২০১১ খ্রিঃ ২৬ নভেম্বর আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার উপকণ্ঠে ক্যানাভেরাল অন্তরীপ থেকে এটিকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। ২৫৪ দিন পরে, ২০১২ খ্রিঃ ৫ আগস্ট শেষ রাতে (ভারতীয় সময় : সোমবার, ৬ আগস্ট, বেলা ১১ টা ২ মিনিটে) ‘কিউরিয়োসিটি’ মঙ্গলের ‘গেল ক্রেটার' নামক ৫৭৬ কিমি. চওড়া একটি বিরাট গহ্বরে সফলভাবে অবতরণ করে তার নির্দিষ্ট কাজ শুরু করে দেয়। এত ভারি একটা যানকে মঙ্গলের বুকে নামানো ছিল একট রাট সমস্যা। নীরা সেই সমস্যাকে অতিক্রম করেন ৫১ ফুট চওড়া একটি প্যারাসুটের সাহায্যে প্রথমে এর গতিবেগকে কমিয়ে, তারপর ক্লেন ও দড়ির সাহায্যে ৭ মিনিট ধরে ধীরে ধীরে মঙ্গলের মাটিতে যানটিকে নামিয়ে দিয়ে। সঙ্গে সঙ্গেই যন্ত্রযান পৃথিবীতে বিজ্ঞানীদের জানিয়ে দেয়, সে সফলভাবে মঙ্গলে অবতরণ করেছে। যন্ত্রযানটি ৯৮ সপ্তাহ মঙ্গলে থেকে নিজের কাজ করে এবং মঙ্গল সম্বন্ধে পৃথিবীতে নানা তথ্য জানায়। 

উপসংহার : বিরাট যন্ত্রযানটির মঙ্গলে অবতরণ বিজ্ঞানের জয়যাত্রার একটি অত্যাশ্চর্য নিদর্শন। বিজ্ঞানীরা মঙ্গলে রোবঢ়-যান

লন্ডন অলিম্পিক, ২০১২ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on London Olympics, 2012 | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সূচনাঃ অলিম্পিক হল বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আসর। প্রতি চার বছর অন্তর বিশ্বের একটি উল্লেখযোগ্য শহরে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এবারের ৩০-তম অলিম্পিকের আসর বসেছিল গ্রেট ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডন শহরে। 

এই অলিম্পিকের বৈশিষ্ট্য : লন্ডন অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করেছিলেন পৃথিবীর ২০২ টি দেশের ২০ হাজারের বেশি ক্রীড়াবিদ। পনেরো দিন ধরে নানা বিষয়ে প্রতিযোগিতা হয়েছিল এই ক্রীড়ানুষ্ঠানে। 

ফলাফল এবং উল্লেখযোগ্য প্রতিযোগী : সোনা, রুপো এবং ব্রোঞ্জ মিলিয়ে মোট ১০৪ টি পদক পেয়ে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র হয় সেরা প্রতিযোগী দেশ। মোট ৮৭ টি পদক পেয়ে চিন হয় দ্বিতীয় স্থানাধিকারী এবং ৬৫ টি পদক পেয়ে আয়োজক দেশ গ্রেট ব্রিটেন হয় তৃতীয় স্থানাধিকারী। আমেরিকান সাঁতারু মাইকেল ফেলপস একাই ৪ টি সোনা ও ২ টি রৌপ্য পদক জিতে এই অলিম্পিকের শ্রেষ্ঠ ক্রীড়াবিদ হন। ১০০মি. ও ২০০ মি. দৌড় এবং ৪ × ১০০ রিলে রেসে সোনা জিতে জামাইকার উসেইন বোলট ‘বিশ্বের দ্রুতগামী মানুষের’ শিরোপা পান। এঁরা ছাড়া এই অলিম্পিকে অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী দেখিয়েছিলেন আমেরিকার মহিলা সাঁতারু মিসি ফ্রাঙ্কলিন, দুই চিনা মহিলা সাঁতারু উ সিন্‌ন্জিয়া ও ইয়ে সিওয়েন, গ্রেট ব্রিটেনের মাঝারি পাল্লার দৌড়বীর মো ফারা, সাইক্লিস্ট ক্রিস হোয় ও টেনিস খেলোয়াড় অ্যান্ডি মারে এবং কেনিয়ার দৌড়বীর ডেভিড রুদিসা। 

৩০-তম অলিম্পিকে ভারত : ২ টি রুপো এবং ৪ টি ব্রোঞ্জ পদক পেয়ে এই অলিম্পিকে ভারতের স্থান হয়েছে ৫৫-তম। দুটি রুপো জিতেছেন কুস্তিতে সুশীল কুমার এবং সুটিং-এ বিজয় কুমার। ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছেন ব্যাডমিন্টনে সায়না নেহাল, বক্সিং-এ মেরি কম, সুটিং-এ গগন নারাং এবং কুস্তিতে যোগেশ্বর দত্ত। এ ছাড়া অন্য সব বিভাগে আমাদের ফলাফল হতাশাব্যঞ্জক। 

উপসংহার : ২০১৬ খ্রিঃ ব্রাজিলের রাজধানী রায়ো-ডি-জেনিরোতে অনুষ্ঠিত হবে ৩১-তম অলিম্পিক। এতে ভালো ফল করতে হলে ভারতকে এখন থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে।

বায়ু দূষণ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Air pollution | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সূচনা : জলের মতো বায়ুও হল আমাদের জীবন। জল ছাড়া তবু খানিকটা সময় আমরা বাঁচতে পারি, কিন্তু বাতাস ছাড়া এক মুহূর্ত আমরা বাঁচতে পারি না। বাতাসের মধ্যে যে অক্সিজেন আছে, তা মানুষ এবং উপাদান কার্বন ডাই-অক্সাইডের। প্রাণীদের বাঁচার অপরিহার্য উপাদান। আবার উদ্ভিদকুলের জীবনধারণের জন্য প্রয়োজন বাতাসের অন্যতম বায়ু-দূষণ । 

কীভাবে ঘটে : প্রাণীরা নিঃশ্বাসের মাধ্যমে বাতাসের অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং প্রশ্বাসের মাধ্যমে কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করে। উদ্ভিদরা সেই কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে এবং অক্সিজেন ত্যাগ করে—এভাবে উদ্ভিদ ও প্রাণীর বিপরীতধর্মী কাজের ফলে প্রকৃতিতে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণে একটা সমতা বজায় থাকে। কিন্তু মানুষ নির্বিচারে বন কেটে গাছপালা ধ্বংস করে ফেলায় বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বাড়ছে। এর ফলে পৃথিবী আগের তুলনায় বেশি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, গরম বাড়ছে। অজস্র যানবাহন এবং কলকারখানার ধোঁয়াও বাতাসকে দূষিত করছে। 

বায়ু-দূষণের ফল : বায়ু-দূষণের প্রত্যক্ষ ফল হল তাপমাত্রা বৃদ্ধি। এর ফলে পৃথিবীর সর্বত্র গরম বেড়েছে, আবহাওয়ার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে, আকস্মিক ঝড়-সাইক্লোন-অতি বৃষ্টি বা খরা দেখা দিচ্ছে। পাহাড়চূড়ার বরফ গলে যাচ্ছে, এমন কী মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাওয়ায় সমুদ্রের জলতল বেড়ে গিয়ে সমুদ্রতীরবর্তী অঞ্চলগুলি জলে ডুবে যাবার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে। মানুষেরও টিবি, ক্যানসার প্রভৃতি মারণ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বাড়ছে।

 উপসংহার : বায়ুদূষণ পৃথিবীর জীবকুলকে অনিবার্য ধ্বংসের দিকে এগিয়ে নিয়ে চলেছে। এর হাত থেকে বাঁচার একটিই উপায় : বনসৃজন বা আরও বেশি করে গাছ লাগানো।

জল-দূষণ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Water Pollution | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সূচনা : জল আমাদের জীবন। জল ছাড়া কোনো প্রাণী, এমন কী গাছপালাও বাঁচতে পারে না। এমন অপরিহার্য জিনিসটি দূষিত হলে জীবজগতের উপর যে ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে, তা সহজেই বোঝা যায়।
 
কীভাবে জল-দূষণ ঘটে : জল দূষিত হওয়ার মূলে রয়েছে মানুষের বেহিসাবি কাজ৷ নদীর জলকে পরিশ্রুত করে তাকেই পানীয় জল হিসেবে ব্যবহার করি আমরা। কিন্তু সেই নদীর জল নানা ভাবে দূষিত করা হয়। কারখানাগুলি তাদের অতি বিষাক্ত বর্জ্য পদার্থগুলি নদীতে ফেলে। শহরের পয়ঃপ্রণালিগুলির নোংরা জলকে নদীতে ফেলা হয়। কৃষিকাজে যে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করা হয়, সেগুলি বৃষ্টির জলে ধুয়ে নদীতে গিয়ে পড়ে। জলে এইসব বিষাক্ত রাসায়নিক যে দূষণ তৈরি করে, তার প্রভাব মারাত্মক। নদীর জলকে পানীয় জল হিসেবে ব্যবহারের জন্য পরিশ্রুত করার সময় জলের ভেতরের জীবাণুগুলিকে ওষুধ দিয়ে মারা হয়, কিন্তু বিষাক্ত রাসায়নিকগুলি পানীয় জলে থেকেই যায়। ওই জল থেকে। । পেটের নানা রকম রোগ হয়। নদীর জলে দূষণ বেশি ঘটলে মাছগুলি মরে যায়। সাগরের জলে দূষণ ঘটলে বসবাসকারী জীবদের প্রাণহানির সম্ভাবনা দেখা দেয় সমুদ্রে। 

উপসংহারঃ নদী ও সাগরের জলের দূষণ বন্ধ করতেই হবে, নইলে মানুষ ও জলচর প্রাণী বিপন্ন হবে।

plan

Health Insurance Plans Entry Age (Min-Max) Sum Insured (Min-Max) Network Hospitals Covid-19 Treatment -
Aditya Birla Active Assure Diamond Plan 5 years & above Rs. 2 Lakh - Rs. 2 Crore 7100+ Covered VIEW PLAN
Bajaj Allianz Health Guard 18-65 years Rs. 1.5 Lakh - Rs. 50 Lakh 6500+ Covered VIEW PLAN
Bharti AXA Smart Super Health Plan 91 days -65 years Rs. 5 Lakh - Rs. 1 Crore 4500+ Covered VIEW PLAN
Care Health Care Plan (Formerly Religare Care Health Insurance Plan) 91 days & above Rs. 4 Lakh - Rs. 6 Crore 7800+ Covered VIEW PLAN
          VIEW PLAN
          VIEW PLAN
          VIEW PLAN

পরিচ্ছন্নতা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Cleanliness | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সূচনা : ইংরেজি একটি প্রবাদে বলা হয়েছে, পরিচ্ছন্নতাই হল ভগবানের সেবা। ঈশ্বর আছেন আমাদের চোখের আড়ালে, চর্মচক্ষে আমরা তাঁর দেখা পাই না, কিন্তু তিনি মূর্ত হয়ে ওঠেন পরিচ্ছন্নতায়। তাই যে কোনো পুজোর আগে আমরা উপাসনা-স্থানকে পরিচ্ছন্ন করে তুলি। 

পরিচ্ছন্নতার প্রয়োজনীয়তা : আমাদের স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য পরিচ্ছন্নতার প্রয়োজনীয়তা অসামান্য। পরিচ্ছন্নতার কথা উঠলেই প্রথমে শরীরের পরিচ্ছন্নতার প্রসঙ্গ উঠবে। প্রতিদিন সারা শরীর এবং বেশবাসগুলি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে, নইলে শরীর হয়ে উঠবে নানা রোগ-ব্যাধির আধার। কেবল নিজের শরীর নয়, নিজেদের ঘরদোর এবং বাড়িও পরিষ্কার রাখতে হবে। বাড়ির চারপাশ এবং গোটা অঞ্চলও সকলে মিলে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে, নইলে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ নানা রোগ-ব্যাধি ছড়ানোর আখড়া হয়ে উঠবে। সকলের স্বাস্থ্য নষ্ট হবে। আমাদের মনের উপরও পরিচ্ছন্নতার প্রভাব আসামান্য। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ আমাদের মনের শান্তি নষ্ট করে, অকারণে মেজাজকে খিটখিটে করে তোলে। 

উপসংহার : পরিচ্ছন্নতা অনেকটাই অভ্যাসসাপেক্ষ, ছোটোবেলা থেকেই পরিচ্ছন্ন থাকার শিক্ষা গ্রহণ করতে হয়। নিজের বইপত্র, পড়ার জায়গা, জামাকাপড় ইত্যাদি ঠিকমতো গুছিয়ে রাখার মধ্য দিয়ে সেই অভ্যাসের শুরু। আর, তার শেষ হবে গোটা পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টার মধ্য দিয়ে।

ভূমিকম্প - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Earthquake | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সূচনা : ভূমিকম্প হল প্রকৃতির সবচেয়ে সাংঘাতিক বিপর্যয়—তার নিষ্ঠুরতম খেলা। এর কবলে পড়ে শত শত বছরের অক্লান্ত চেষ্টায় গড়ে ওঠা কত সমৃদ্ধ জনপদ মুহূর্তে গুঁড়িয়ে গিয়েছে, তার ইয়ত্তা নেই। পৃথিবী সৃষ্টির আদি কাল থেকেই এই ঘটনা ঘটছে। এই ভয়ংকর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচার কোনো উপায় এখনও মানুষ বের করতে পারেনি। 

কারণ ও ফলাফল : ভূ-বিজ্ঞানীরা ভূমিকম্পের জন্য নানা কারণ নির্দেশ করেছেন। একটি কারণ হল : প্রাকৃতিক নিয়মে ভূ-পৃষ্ঠের কোনো স্থান হঠাৎ প্রসারিত হয় এবং পরক্ষণেই সংকুচিত হয়ে আগের জায়গায় ফিরে আসে—এই সংকোচন-প্রসারণের ফলে ভূমিকম্প হয়। ভূমিকম্পের ফলে পায়ের তলার মাটি এবং ঘরবাড়ি দুলতে থাকে। ভূ-কম্পনের তীব্রতা বেশি হলে ঘরবাড়ি দুলতে দুলতে ভেঙে পড়ে। পথেঘাটে ফাটল দেখা দেয়, কখনও কখনও ভেতর থেকে ফোয়ারার মতো জলধারা বেরিয়ে আসতে থাকে। তীব্র ভূ-কম্পনে রাস্তাঘাট ও রেলপথ বসে যায়, এমন কী নদীর গতিপথও পরিবর্তিত হয়। এমনও দেখা যায় প্রবল ভূমিকম্পে কোনো গ্রাম বা শহর সম্পূর্ণ মাটির তলায় বসে গেছে। এই পরিস্থিতিতে বহু মানুষ ও গবাদি পশুর মৃত্যু তো স্বাভাবিক ঘটনা। মৃতের সংখ্যা কখনও কখনও হাজার পেরিয়ে লাখে গিয়ে পৌঁছয়। 

উপসংহার : ভূমিকম্প এমন একটা প্রাকৃতিক বিপর্যয় যাতে মানুষের কিছুই করার নেই। মানুষ শুধুই প্রকৃতির এই উদ্দাম ধ্বংসলীলার দর্শক এবং তার অসহায় শিকার। বনের জীবজন্তুরা ভূমিকম্পের পূর্বাভাস পায়, কিন্তু মানুষের সে ক্ষমতা নেই—সে প্রকৃতির রুদ্ররোষের বলি হয় সহজেই।

জল - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Water | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সূচনা : প্রকৃতির অন্যতম মূল্যবান দান হল জল। বাতাসের মতো জলও হল জীবকুলের বাঁচার একটি অপরিহার্য উপাদান। তাই জলের অন্য নাম ‘জীবন’। বাস্তবিক, পৃথিবীতে সমস্ত জীবনের উৎস হল জল। প্রাপ্তিস্থান ও বৈশিষ্ট্য : পৃথিবীতে জলের অভাব নেই, কারণ পৃথিবীর চার ভাগের প্রায় তিন ভাগই জল। পুকুর-কুয়ো-খাল-বিল থেকে শুরু করে নদী-সাগর—সর্বত্রই জল দেখা যায়। কিন্তু মুশকিল একটাই—এই বিপুল জলভাণ্ডারের মাত্র ১ শতাংশ হল পানীয়, তাই পৃথিবীতে পানীয় জলের খুব অভাব। পান করা ছাড়াও দৈনন্দিন নানা কাজে—যেমন, রান্না করা, স্নান করা, জামাকাপড় ধোওয়া, ঘরদোর পরিষ্কার করা প্রভৃতি কাজেও প্রত্যেকেরই প্রতিদিন প্রচুর জলের দরকার পড়ে। জল ছাড়া কৃষিকাজও হয় না, উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও পুষ্টির জন্যও জল প্রয়োজন। 

জল সম্বন্ধে সতকর্তা : যে জল আমরা পান করি, তা অবশ্যই পরিষ্কার, বর্ণহীন, গন্ধহীন ও জীবাণুমুক্ত হওয়া প্রয়োজন। কলেরা, টাইফয়েড, জন্ডিস এবং আরও অনেক সংক্রামক রোগ জলের মাধ্যমেই ছড়িয়ে পড়ে। তাই জলের বিশুদ্ধতা সম্পর্কে সতর্ক না হলে রোগাক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 

উপসংহার : বিশুদ্ধ ও পরিশ্রুত পানীয় জল আজকাল শহর ও শহরতলি অঞ্চলে সরবরাহ করা হচ্ছে পাইপ লাইনের মাধ্যমে। সাধারণ মানুষকে জলবাহিত রোগের আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য এই ব্যবস্থাকে গ্রামাঞ্চলেও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন। দেশের মানুষ যত সুস্থ, সবল ও রোগমুক্ত থাকবেন, দেশ ততই উন্নতির পথে এগিয়ে যাবে।

নিয়মানুবর্তিতা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Discipline | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সূচনাঃ নিয়মানুবর্তিতার অর্থ, নিয়ম মেনে চলা। জীবনের পথ কুসুমাস্তীর্ণ নয়, তাতে নানা বাধা-বিপত্তি আসে। এসব বাধাবিপত্তিকে অতিক্রম করে জীবনে সফল হতে হলে আমাদের অবশ্যই নিয়মানুবর্তী হতে হবে। নিয়মানুবর্তী না হলে জীবনে শৃঙ্খলা আসে না, শৃঙ্খলা না থাকলে কোনো বিষয়েই সাফল্য লাভ করা যায় না। 

নিয়মানুবর্তিতার সুফল : প্রকৃতি এবং পৃথিবীতে নিয়মেরই রাজত্ব। আকাশে সূর্য-চন্দ্র-গ্রহ-তারা একটা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সর্বদা নিজের নিজের কক্ষপথ পরিক্রমণ করে চলেছে। এরা কেউ মুহূর্তের জন্য নিয়ম ভাঙে না। খেলার মাঠে, পথে-ঘাটে-রাস্তায়, স্কুল-কলেজে, এমন কী যুদ্ধক্ষেত্রেও সকলকে নিয়মানুবর্তী হতে হয়। খেলার মাঠে খেলোয়াড়রা যদি খেলার নিয়মকানুনগুলি না মানে, তাহলে খেলাই সম্ভব হবে না। রাস্তায় নেমে পথ চলার নিয়মকানুনগুলি না মানলে দুর্ঘটনা ঘটবে। বিদ্যালয়ে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ুয়ারা নিয়মানুবর্তী না হলে শিক্ষাদান ও জ্ঞান অর্জন কোনোটাই সম্ভব নয়। যুদ্ধক্ষেত্রে সৈনিকরা যদি নিয়মানুবর্তী না হয়, তাহলে পরাজয় অবধারিত। 

উপসংহার : নিয়মানুবর্তিতা জীবনে সাফল্যলাভের একটি অপরিহার্য গুণ। ব্যক্তির মতো দেশ বা জাতি যদি শৃঙ্খলাবদ্ধ না হয়, তাহলে তার অগ্রগতি হয় না। এজন্য আমাদের প্রত্যেকেরই বাল্যকাল থেকেই নিয়মানুবর্তী হওয়ার শিক্ষা গ্রহণ করা উচিত।

সত্যবাদিতা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Truthfulness | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সূচনা :  সত্যবাদিতার অর্থ, সত্য কথা বলা। যে সত্য কথা বলে, তাকে আমরা বলি সত্যবাদী। পৃথিবীতে সত্য এবং সত্যবাদী দুয়েরই মর্যাদা অসামান্য। 

সত্যবাদিতা বড়ো গুণ : পৃথিবীতে যত বড়ো বড়ো মহাপুরুষ জন্মেছেন, তাঁদের সকলেরই জীবনী পড়লে দেখা যায়, তাঁরা সর্বদাই মিথ্যা এবং অন্যায়কে পরিহার করেছেন। সত্যকে আঁকড়ে থেকে তাঁদের অনেক সময় ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়েছে। সেই ক্ষতি তাঁরা হাসিমুখে স্বীকার করেছেন, তবু মিথ্যার আশ্রয় নেননি। মহাভারতে সত্যবাদী যুধিষ্ঠিরের কথা আমরা পড়েছি—সত্যকে রক্ষা করতে গিয়ে কতবার কত বিপদের মধ্যে তাঁকে পড়তে হয়েছে। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জ্ঞানী যাঁকে বলা হয়, বৌদ্ধ ধর্মের প্রবর্তক সেই গৌতম বুদ্ধ জীবনে সর্বদা সত্য অনুসরণের উপদেশ দিয়েছেন। কেবল বৌদ্ধধর্ম কেন, পৃথিবীর সব ধর্মই সত্যের জয়গান গেয়েছে। সব মহাপুরুষই বলেছেন, মিথ্যার অনেক রূপ, কিন্তু সত্যের রূপ একটাই—তাই জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে সত্যকে অনুসরণ করতে হবে। মিথ্যার জয় সাময়িক, কিন্তু সত্য চিরকালীন বলে শেষ পর্যন্ত তারই জয় হবে। আমাদের দেশের মহাত্মা গান্ধি সারা জীবন সত্যবাদিতা এবং সত্যনিষ্ঠাকে আদর্শ করে জীবনের পথ চলেছেন। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি সত্য ও ন্যায়ের পরীক্ষায় সসম্মানে উত্তীর্ণ হয়েছেন। 

উপসংহার : শৈশবাবস্থা এবং ছাত্র জীবনই হল সত্যবাদিতা শিক্ষার সবচেয়ে ভালো সময়। এই বয়সে যদি আমরা সত্যবাদিতাকে আদর্শ করে জীবনের পথ চলতে শিখি, তাহলে আমাদের পরবর্তী জীবন সুন্দর ও মহান হবে।

অধ্যবসায় - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Perseverance | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সূচনা : অধ্যবসায় হল কোনো কিছু অর্জনের জন্য বার বার চেষ্টা করা। নিজের লক্ষ্যে অবিচল থেকে হেরে গিয়েও পরাজয়কে স্বীকার না করে ফের চেষ্টা করা একটা বিরাট গুণ। কোনো ব্যাপারে হেরে যাওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু হেরে যাওয়ার পরে মুষড়ে পড়ে বা হতাশ হয়ে আর চেষ্টা না করাটা সত্যিই অপরাধ। 

অধ্যবসায়ের জয় : পৃথিবীতে এমন কোনো কাজ নেই যা সহজে এবং অল্পায়াসে হয়। পৃথিবীর বিখ্যাত মানুষদের জীবনী পড়লেই আমরা জানতে পারি, কীভাবে বার বার হারের পরেও তাঁরা চেষ্টা ছাড়েননি এবং শেষ পর্যন্ত জয়ী হয়েছেন। স্কটল্যান্ডের রাজা রবার্ট ব্রুস ছবার যুদ্ধে হেরে গিয়েও হাল ছাড়েননি। সপ্তমবার যুদ্ধ করে যুদ্ধে জিতে রাজ্য পুনরধিকার করেছিলেন। গবেষণা করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা বার বার ব্যর্থ হয়েও ছাড়েন না, শেষ পর্যন্ত বিরাট আবিষ্কার করেন। জীবনের সর্বস্তরে এভাবে অধ্যবসায়ের জয় লক্ষ করা যায়। 

উপসংহার : কোনো মানুষেরই জীবনের পথ কুসুমাস্তীর্ণ নয়। অসংখ্য বাধাবিপত্তি, দুঃখ এবং পরাজয় প্রতিটি মানুষের জীবনেই আসে। এদের অতিক্রম করে আবার চেষ্টা করাই প্রতিটি মানুষের ধর্ম হওয়া উচিত। মনে রাখতে হবে, উদ্যমী এবং অধ্যবসায়ীরাই জীবনযুদ্ধে জয়ী হন, ভাগ্যদেবী তাঁদেরই গলায় বরমাল্য পরিয়ে দেন।

আমার পছন্দ-অপছন্দ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on My Likes and Dislikes | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সূচনা : পছন্দ-অপছন্দ প্রতিটি মানুষের নিজস্ব ব্যাপার। হাতের পাঁচটা আঙুল যেমন সমান নয়, সবার পছন্দ-অপছন্দও তেমনি একই রকম হয় না। 

কী পছন্দ করি : সব কিছুর মধ্যে আমার প্রথম পছন্দের বিষয় হল খেলা। ফুটবল, ক্রিকেট থেকে শুরু করে যে কোনো খেলাই আমার ভালো লাগে। ঘরে বসে লুডো খেলাও আমার পছন্দ। সময় পেলেই তাই আমি খেলার পত্রিকাগুলিতে বড়ো বড়ো খেলোয়াড়দের জীবনী পড়ি। খেলার পরে আমার পছন্দ বেড়ানো। প্রতি বছরই একবার সাত/দশ দিনের জন্য আমরা বাইরে বেড়াতে যাই, সেই সময়টা কী যে আনন্দে কাটে কী বলব। 

কী পছন্দ করি না : আমার অপছন্দের তালিকায় প্রথমেই পড়বে টিভি দেখার প্রসঙ্গ। অনেকেই দেখি, ঘণ্টার পর ঘণ্টা টিভির পর্দায় তাকিয়ে থাকে, আমার কিন্তু ব্যাপারটা ভীষণ বিরক্তিকর লাগে। যেমন আমি অপছন্দ করি আড্ডা মারা, অকারণে বেশি কথা বলতে আমার ভালো লাগে না। তবে সবচেয়ে খারাপ লাগে পরীক্ষা এলে। পড়তে আমার ভালো লাগে, কিন্তু পরীক্ষা ব্যাপারটা আমার কাছে খুব বিরক্তিকর। কিন্তু কী করব, স্কুলে পড়লে তো পরীক্ষা দিতেই হবে—বাধ্য হয়েই বেজার মুখ নিয়ে পরীক্ষা দিতে বসি। 

উপসংহার : আমার পছন্দ-অপছন্দের সঙ্গে অন্যের পছন্দ-অপছন্দ মিলবে না জানি, তবু বললাম, কারণ সত্যি বলাই সবচেয়ে ভালো।

চলচ্চিত্র বা সিনেমা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Movies | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সূচনা : ছবি মাত্রেই স্থির ও মূক—তার নড়াচড়া করার ও কথা বলার ক্ষমতা নেই। আমাদের এই চিরাচরিত ধারণাকে ভেঙে দিয়েছে চলচ্চিত্র বা সিনেমা। পর্দার বুকে আলো-ছায়ার খেলায় ছবিকে নাড়াচাড়া করিয়ে এবং ছবিকে দিয়ে কথা বলিয়ে সিনেমা আশ্চর্য এক মোহময় দুনিয়া সৃষ্টি করেছে। এই কারণেই চলচ্চিত্র বা ছায়াছবির জনপ্রিয়তা সারা পৃথিবী জুড়ে। 

আবিষ্কার ও উপযোগিতা : ১৮৮০ খ্রিস্টাব্দে আমেরিকান বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন সিনেমা প্রদর্শন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। তবে, প্রথমদিকে সিনেমা ছিল নির্বাক, ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দের পর থেকে কেবলমাত্র সবাক চলচ্চিত্রই নির্মিত হতে থাকে। এখন দু ধরনের চলচ্চিত্র নির্মিত হয়—তথ্যচিত্র এবং কাহিনিচিত্র । কাহিনিচিত্র গড়ে ওঠে একটি কাহিনির উপর ভিত্তি করে—এই ধরনের চলচ্চিত্রই বেশি জনপ্রিয় এবং এগুলি ব্যবসায়িক ভিত্তিতে নির্মিত হয়। তথ্যচিত্র নির্মিত হয় কোনো একটি প্রামাণ্য ঘটনা বা বিষয়কে কেন্দ্র করে। এগুলি হয় স্বল্পদৈর্ঘ্যের এবং অ-ব্যবসায়িক। কাহিনিচিত্রগুলি ব্যবসায়িক বলে এতে নাচ-গান প্রভৃতি বিনোদনের উপকরণগুলি থাকে। স্বাভাবিকভাবেই অল্পবয়সি পড়ুয়াদের উপরে এর প্রভাব পড়ে। তারা পড়াশোনায় মনোযোগ না দিয়ে সিনেমা দেখতেই বেশি আগ্রহী হয় এবং অভিনেতাদের অনুকরণ করার চেষ্টা করে। 

উপসংহার : দু-একটি ক্ষতিকারক দিককে বাদ দিলে আজকের দিনে সিনেমার ব্যাপক প্রভাবকে অস্বীকার করার উপায় নেই। তাই ছবি-নির্মাতাদেরই উচিত, একে যথাসম্ভব শিক্ষণমুখী করে তোলা।

বেতার যন্ত্র বা রেডিয়ো - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Wireless Device | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সূচনা : ‘বেতার’ শব্দটির অর্থ : বিনা তার বা তারহীন অবস্থা। কোনো তারের সাহায্য না নিয়ে এক জায়গা থেকে আর এক জায়গায় কন্ঠস্বর বা শব্দ পাঠানোর ব্যবস্থাকে বলা হয় বেতার ব্যবস্থা। বেতার ব্যবস্থা আধুনিক বিজ্ঞানের একটি উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার।

আবিষ্কার ও উপযোগিতা : বিনা তারে সংবাদ প্রেরণের যন্ত্র আবিষ্কার করার কৃতিত্ব আমাদের দেশের বিখ্যাত বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুর। প্রায় সমসাময়িক সময়ে ইতালীয় বিজ্ঞানী মার্কনিও এই যন্ত্র আবিষ্কার করেন, ফলে অন্যতম আবিষ্কারক হিসেবে তাঁর নামটিও এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে। বেতার যন্ত্র আবিষ্কারের ফলে যে কোনো শব্দ ও সংকেতকে বহু দূরে পাঠানো সম্ভব হয়েছে। ফলে এই যন্ত্রকে কাজে লাগিয়ে গান, বাজনা, খবর, নাটকের সংলাপ প্রভৃতি সম্প্রচার করা সম্ভব হয়েছে। তাই রেডিয়ো হয়ে উঠেছে বিনোদনের একটি মাধ্যম। বেতার যন্ত্র আকারে ক্রমশ ছোটো এবং বহনযোগ্য হওয়ায় এর জনপ্রিয়তাও খুব বেড়েছে। এই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে বর্তমানে রেডিয়োকে শিক্ষাবিস্তার এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানোর কাজেও ব্যবহার করা হচ্ছে। 

উপসংহার : টেলিভিশন বা দূরদর্শনের ব্যাপক জনপ্রিয়তার ফলে রেডিয়ো তার জনপ্রিয়তা হারাচ্ছিল। এফ.এম. চ্যানেলগুলি আসার পরে রেডিয়ো আবার তার হারানো মর্যাদা অনেকটা ফিরে পেয়েছে। তবে শুধু গান-বাজনার মধ্যে এর জনপ্রিয়তাকে সীমাবদ্ধ না রেখে শিক্ষা বিস্তার এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বিস্তারের কাজেও এর বহুল ব্যবহার হওয়া উচিত।

ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Bidhan Chandra Roy | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সূচনা : ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় ছিলেন ধন্বন্তরি চিকিৎসক, পরবর্তীকালে হলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের প্রধান প্রশাসক হিসেবে তিনি এতটাই সফল যে চিকিৎসাবিদ্যায় তাঁর অসামান্য পারদর্শিতাও যেন তার কাছে ম্লান হয়ে গেল। তাঁকে বলা হয় ‘পশ্চিমবঙ্গের রূপকার’। 

পরিচয় : ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দের ১ জুলাই বিহার রাজ্যের পাটনা শহরে বিধানচন্দ্র রায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম প্রকাশচন্দ্র রায় এবং মাতার নাম অঘোরকামিনী দেবী। কৃতী ছাত্র বিধানচন্দ্র চিকিৎসাবিদ্যা পড়ার জন্য কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভরতি হন। সেখান থেকে পাস করে তিনি উচ্চতর পড়াশোনার জন্য ইংল্যান্ড যান। দেশে ফিরে আসার পর তিনি চিকিৎসক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এবং অদ্বিতীয় চিকিৎসক হিসেবে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। তিনি রাজনীতিতেও যোগ দেন এবং সেখানেও কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী হন এবং রাজ্যটিকে নতুন করে গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করেন। তাঁরই মুখ্যমন্ত্রীত্বকালে দুর্গাপুর শহর ও ইস্পাত প্রকল্প, কল্যাণী উপনগরী, হরিণঘাটা দুগ্ধ প্রকল্প, লবণ হ্রদ পুনরুদ্ধার করে সল্ট লেক সিটি, দিঘা পর্যটন কেন্দ্র, কলকাতা রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থা ইত্যাদি প্রকল্পগুলি রূপায়িত হয়। দেশ গড়ার কাজে অসামান্য অবদানের জন্য তাঁকে ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দে ‘ভারতরত্ন’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দের ১ জুলাই তাঁর মৃত্যু হয়। 

উপসংহার : পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যটি যতদিন থাকবে, ততদিন পর্যন্ত রাজ্যটি পুনর্গঠনে তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। চিকিৎসক হিসেবে তাঁর কৃতিত্বকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য প্রতি বছর ১ জুলাই দিনটিকে সারা ভারতে ‘চিকিৎসক দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

শ্রীঅরবিন্দ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Sri Aurobindo | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সূচনা : অরবিন্দ ছিলেন এক সময়ে বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রামীদের গুরু, আবার তিনিই পরবর্তীকালে হলেন অধ্যাত্মজগতের এক স্মরণীয় মানুষ। রাজনীতি এবং অধ্যাত্মজগৎ—উভয় দিকেই সমান স্মরণীয় হয়েছেন, পৃথিবীতে এমন মানুষ বড়ো একটা দেখা যায় না। 

পরিচয় : ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দের ১৫ আগস্ট অরবিন্দ জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পূর্বাশ্রমের নাম ছিল অরবিন্দ ঘোষ। তাঁর পিতা কৃষ্ণধন ঘোষ ছিলেন পেশায় চিকিৎসক। তিনি সাহেবি আচার-আচরণ পছন্দ করতেন, ছেলেকেও পুরোপুরি সাহেবি আচরণে অভ্যস্ত করাতে অল্প বয়সেই তিনি তাঁকে ইংল্যান্ডে পাঠিয়ে দিলেন। কৃতী ছাত্র অরবিন্দ সেখানে আই.সি.এস. পরীক্ষায় উচ্চ স্থান অধিকার করেন। দেশে ফিরে এসে গুজরাতের বরোদা কলেজে তিনি অধ্যাপনার কাজ নেন। স্বামী বিবেকানন্দের মন্ত্রশিষ্যা ভগিনী নিবেদিতার কথায় ওই কাজ ছেড়ে তিনি বাংলায় আসেন এবং অচিরেই স্বাধীনতা সংগ্রামীদের নেতা হয়ে ওঠেন। কিছুদিন পরে একটি বোমার মামলায় পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে এবং তাঁর কারাদণ্ড হয়। কারাগারে থাকার সময় তাঁর দিব্যদর্শন হয় এবং মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়ে মুক্তিলাভের পর তিনি পণ্ডিচেরিতে চলে যান। সেখানে আশ্রম প্রতিষ্ঠা করে তিনি ঈশ্বর-সাধনায় মগ্ন হন এবং তাঁর নতুন নাম হয় ‘শ্রীঅরবিন্দ’। দীর্ঘ ৪০ বছর তিনি সাধনা করেছেন। 

উপসংহার : আজ শ্রীঅরবিন্দ এবং তাঁর পণ্ডিচেরি আশ্রমের পৃথিবীজোড়া নাম। ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দের ৫ নভেম্বর এই মহাসাধক পৃথিবী ছেড়ে চলে যান।

আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Acharya Jagdishchandra Bose | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সূচনা : আপাতদৃষ্টিতে যে গাছকে নিষ্প্রাণ জড় পদার্থ বলে মনে হয়, তারও প্রাণ আছে এবং প্রাণীদের মতো তারাও বিভিন্ন অনুভূতিতে সাড়া দেয়, এ কথা প্রথম বলে সারা পৃথিবীকে চমকে দিয়েছিলেন এক বাঙালি বিজ্ঞানী। এই বরেণ্য বিজ্ঞানীর নাম জগদীশচন্দ্র বসু। রেডিয়ো বা বেতার যন্ত্রেরও আবিষ্কর্তা তিনি। 

পরিচয় : ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশের ঢাকা জেলার রাঢ়িখাল গ্রামে জগদীশচন্দ্র জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ভগবানচন্দ্র বসু ছিলেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। কৃতী ছাত্র জগদীশচন্দ্র বি.এ. পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবার পর লন্ডনে পড়তে যান। সেখান থেকে উচ্চ ডিগ্রি নিয়ে দেশে ফিরে এসে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে অধ্যাপনা শুরু করেন। পড়ানোর পাশাপাশি তিনি বৈজ্ঞানিক গবেষণাও চালিয়ে যেতে থাকেন। প্রকৃতপক্ষে গবেষক হিসেবেই তাঁর পৃথিবীজোড়া খ্যাতি। বেতার যন্ত্র আবিষ্কার এবং উদ্ভিদের প্রাণ আছে, এই সত্য আবিষ্কার তাঁর অসামান্য কীর্তি। সারা জীবনই তিনি গবেষণা নিয়ে ব্যস্ত থেকেছেন। বৃদ্ধ বয়সে অতিরিক্ত পরিশ্রমে তাঁর স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ে। ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দে গিরিডিতে তিনি পরলোকগমন করেন। 

উপসংহারঃ আজ ভারত বৈজ্ঞানিক গবেষণায় অনেক এগিয়ে গেছে, এর মূলে রয়েছে জগদীশচন্দ্রের প্রচেষ্টা। তিনিই নিজের জমানো সমস্ত অর্থ ব্যয় করে ‘বসু বিজ্ঞান মন্দির' নামে ভারতের প্রথম গবেষণাগারটি তৈরি করেন এদেশে বিজ্ঞানচর্চা ছড়িয়ে দেবার জন্য।

কালীপূজা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Kali Puja | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সূচনা : দুর্গাপূজা বাঙালি হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ পূজা হলেও কালীপূজার আকর্ষণ তার কাছে একটুও কম নয়। বাঙালিদের সম্বন্ধে বলা হয়, তারা স্বভাবতই মা কালীর ভক্ত। কালীপূজাকে ঘিরে বাঙালিদের মধ্যে দুর্গাপূজার মতোই উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। 

প্রতিমার বর্ণনা ও পূজার সময় : দেবী কালীর অন্য নাম শ্যামা। তিনি শ্যামবর্ণা বা ঘোর কালো গাত্রবর্ণবিশিষ্ট। তাঁর গলায় মুণ্ডমালা, শায়িত মহাদেবের উপরে তিনি দাঁড়িয়ে। তাঁর এক হাতে মুণ্ড, এক হাতে খাড়া, এক হাতে ফুল এবং আর এক হাতে তাঁর বরাভয় মুদ্রা। দেবীর দু পাশে ডাকিনী-যোগিনীরা দাঁড়িয়ে। কালী হলেন অন্যায় ও অসুন্দরের প্রতীক অসুরের হত্যাকারিণী। দুর্গাপূজা শুরু হওয়ার ঠিক একুশ দিন পর অমাবস্যার নিকষ-কালো অন্ধকার রাতে দেবীর পুজো হয়। সেদিন সন্ধ্যায় দীপাবলি উৎসব হয়, সেই উৎসবে আলোর মালায় চারদিক আয়োজন করা হয়। আলোকিত হয়ে ওঠে। মনের নানা অন্ধকার দূর করার আকাঙ্ক্ষা নিয়েই যেন এই প্রতীক আলোর উৎসবের তুলনা হয় না।

উপসংহার : কালীপূজোতে শারদীয়া উৎসবের সমাপ্তি, যা শুরু হয়েছিল দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে। আলোর মালায় দুর্গোৎসবের শুরু, উৎসবের মরসুমের শেষও দীপাবলির আলোকমালা দিয়ে। সত্যি, বাঙালির ভাবনার তুলনা হয় না।

মশা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Mosquito | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সূচনা : মশা একটি অতি ক্ষুদ্র পতঙ্গ, কিন্তু মানুষের অপকার করতে এর জুড়ি নেই। এর বংশবৃদ্ধি যত
রোধ করা যায়, ততই আমাদের মঙ্গল।

 আকৃতি ও বৈশিষ্ট্য : মশা অতি ক্ষুদ্র রক্ত-শোষক পতঙ্গ। এদের ডানা আছে এবং এরা খুব দ্রুত উড়তে পারে। ওড়ার সময়ে ভোঁ ভোঁ আওয়াজ হয়। আওয়াজ শোনা গেলেও এদের ধরা বা মারা সহজে সম্ভব হয় না। স্ত্রী মশার দেহে খুব সূক্ষ্ম ও তীক্ষ্ণ হূল থাকে। সূঁচের মতো ওই হ্বলটি আমাদের চামড়ার ভেতর ঢুকিয়ে এরা শরীর থেকে রক্ত শুষে নেয়। সে সময়ে নানা ক্ষতিকারক রোগের জীবাণু মানুষের শরীরে ঢুকিয়ে দেয়
এবং আমরা রোগগ্রস্ত হয়ে পড়ি। পুরুষ মশার হুলটি ভোঁতা বলে কামড়াতে পারে না, তাই এদের দিয়ে আমাদের কোনো ক্ষতি হয় না।  অপকারিতা : অনেক রকম মশা আছে এবং সব ধরনের মশাই রোগ ছড়ায়। ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গি, ফাইলেরিয়া প্রভৃতি রোগ মশার কামড় খেয়েই হয়। এরা অন্ধকার, ভিজে ও নোংরা জায়গা পছন্দ করে এবং বদ্ধ জলে ডিম পাড়ে। 

উপসংহার : অত্যন্ত ক্ষতিকারক এই পতঙ্গটি যাতে বংশবিস্তার করতে না পারে, সেদিকে আমাদের
সকলেরই নজর দিতে হবে। মশার কামড় থেকে বাঁচতে প্রতিদিন মশারি টাঙিয়ে শোওয়া উচিত।