সূচনা : দুর্গাপূজা বাঙালি হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ পূজা হলেও কালীপূজার আকর্ষণ তার কাছে একটুও কম নয়।
বাঙালিদের সম্বন্ধে বলা হয়, তারা স্বভাবতই মা কালীর ভক্ত। কালীপূজাকে ঘিরে
বাঙালিদের মধ্যে দুর্গাপূজার মতোই উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।
প্রতিমার বর্ণনা ও পূজার সময় : দেবী কালীর অন্য নাম শ্যামা। তিনি
শ্যামবর্ণা বা ঘোর কালো গাত্রবর্ণবিশিষ্ট। তাঁর গলায় মুণ্ডমালা, শায়িত মহাদেবের
উপরে তিনি দাঁড়িয়ে। তাঁর এক হাতে মুণ্ড, এক হাতে খাড়া, এক হাতে ফুল এবং
আর এক হাতে তাঁর বরাভয় মুদ্রা। দেবীর দু পাশে ডাকিনী-যোগিনীরা দাঁড়িয়ে।
কালী হলেন অন্যায় ও অসুন্দরের প্রতীক অসুরের হত্যাকারিণী। দুর্গাপূজা শুরু
হওয়ার ঠিক একুশ দিন পর অমাবস্যার নিকষ-কালো অন্ধকার রাতে দেবীর পুজো
হয়। সেদিন সন্ধ্যায় দীপাবলি উৎসব হয়, সেই উৎসবে আলোর মালায় চারদিক আয়োজন করা হয়।
আলোকিত হয়ে ওঠে। মনের নানা অন্ধকার দূর করার আকাঙ্ক্ষা নিয়েই যেন এই প্রতীক আলোর উৎসবের
তুলনা হয় না।
উপসংহার : কালীপূজোতে শারদীয়া উৎসবের সমাপ্তি, যা শুরু হয়েছিল দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে। আলোর
মালায় দুর্গোৎসবের শুরু, উৎসবের মরসুমের শেষও দীপাবলির আলোকমালা দিয়ে। সত্যি, বাঙালির ভাবনার তুলনা হয় না।