সূচনা : ইংরেজি একটি প্রবাদে বলা হয়েছে, পরিচ্ছন্নতাই হল ভগবানের সেবা। ঈশ্বর আছেন আমাদের
চোখের আড়ালে, চর্মচক্ষে আমরা তাঁর দেখা পাই না, কিন্তু তিনি মূর্ত হয়ে ওঠেন পরিচ্ছন্নতায়। তাই যে কোনো
পুজোর আগে আমরা উপাসনা-স্থানকে পরিচ্ছন্ন করে তুলি।
পরিচ্ছন্নতার প্রয়োজনীয়তা : আমাদের স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য
পরিচ্ছন্নতার প্রয়োজনীয়তা অসামান্য। পরিচ্ছন্নতার কথা উঠলেই প্রথমে
শরীরের পরিচ্ছন্নতার প্রসঙ্গ উঠবে। প্রতিদিন সারা শরীর এবং
বেশবাসগুলি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে, নইলে শরীর হয়ে উঠবে
নানা রোগ-ব্যাধির আধার। কেবল নিজের শরীর নয়, নিজেদের ঘরদোর
এবং বাড়িও পরিষ্কার রাখতে হবে। বাড়ির চারপাশ এবং গোটা অঞ্চলও
সকলে মিলে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে, নইলে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ নানা
রোগ-ব্যাধি ছড়ানোর আখড়া হয়ে উঠবে। সকলের স্বাস্থ্য নষ্ট হবে।
আমাদের মনের উপরও পরিচ্ছন্নতার প্রভাব আসামান্য। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ আমাদের মনের শান্তি নষ্ট করে,
অকারণে মেজাজকে খিটখিটে করে তোলে।
উপসংহার : পরিচ্ছন্নতা অনেকটাই অভ্যাসসাপেক্ষ, ছোটোবেলা থেকেই পরিচ্ছন্ন থাকার শিক্ষা গ্রহণ
করতে হয়। নিজের বইপত্র, পড়ার জায়গা, জামাকাপড় ইত্যাদি ঠিকমতো গুছিয়ে রাখার মধ্য দিয়ে সেই
অভ্যাসের শুরু। আর, তার শেষ হবে গোটা পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টার মধ্য দিয়ে।