সূচনাঃ নিয়মানুবর্তিতার অর্থ, নিয়ম মেনে চলা। জীবনের পথ কুসুমাস্তীর্ণ নয়, তাতে নানা বাধা-বিপত্তি
আসে। এসব বাধাবিপত্তিকে অতিক্রম করে জীবনে সফল হতে হলে আমাদের অবশ্যই নিয়মানুবর্তী হতে হবে।
নিয়মানুবর্তী না হলে জীবনে শৃঙ্খলা আসে না, শৃঙ্খলা না থাকলে কোনো বিষয়েই
সাফল্য লাভ করা যায় না।
নিয়মানুবর্তিতার সুফল : প্রকৃতি এবং পৃথিবীতে নিয়মেরই রাজত্ব। আকাশে
সূর্য-চন্দ্র-গ্রহ-তারা একটা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সর্বদা নিজের নিজের কক্ষপথ
পরিক্রমণ করে চলেছে। এরা কেউ মুহূর্তের জন্য নিয়ম ভাঙে না। খেলার মাঠে,
পথে-ঘাটে-রাস্তায়, স্কুল-কলেজে, এমন কী যুদ্ধক্ষেত্রেও সকলকে নিয়মানুবর্তী
হতে হয়। খেলার মাঠে খেলোয়াড়রা যদি খেলার নিয়মকানুনগুলি না মানে,
তাহলে খেলাই সম্ভব হবে না। রাস্তায় নেমে পথ চলার নিয়মকানুনগুলি না মানলে
দুর্ঘটনা ঘটবে। বিদ্যালয়ে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ুয়ারা নিয়মানুবর্তী না হলে শিক্ষাদান ও জ্ঞান অর্জন কোনোটাই
সম্ভব নয়। যুদ্ধক্ষেত্রে সৈনিকরা যদি নিয়মানুবর্তী না হয়, তাহলে পরাজয় অবধারিত।
উপসংহার : নিয়মানুবর্তিতা জীবনে সাফল্যলাভের একটি অপরিহার্য গুণ। ব্যক্তির মতো দেশ বা জাতি যদি
শৃঙ্খলাবদ্ধ না হয়, তাহলে তার অগ্রগতি হয় না। এজন্য আমাদের প্রত্যেকেরই বাল্যকাল থেকেই নিয়মানুবর্তী
হওয়ার শিক্ষা গ্রহণ করা উচিত।