সূচনা : মশা একটি অতি ক্ষুদ্র পতঙ্গ, কিন্তু মানুষের অপকার করতে এর জুড়ি নেই। এর বংশবৃদ্ধি যত
রোধ করা যায়, ততই আমাদের মঙ্গল।
রোধ করা যায়, ততই আমাদের মঙ্গল।
আকৃতি ও বৈশিষ্ট্য : মশা অতি ক্ষুদ্র রক্ত-শোষক পতঙ্গ। এদের ডানা আছে এবং এরা খুব দ্রুত উড়তে পারে। ওড়ার সময়ে ভোঁ ভোঁ আওয়াজ হয়। আওয়াজ শোনা গেলেও এদের ধরা বা মারা সহজে সম্ভব হয় না। স্ত্রী মশার দেহে খুব সূক্ষ্ম ও তীক্ষ্ণ হূল থাকে। সূঁচের মতো ওই হ্বলটি আমাদের চামড়ার ভেতর ঢুকিয়ে এরা শরীর থেকে রক্ত শুষে নেয়। সে সময়ে নানা ক্ষতিকারক রোগের জীবাণু মানুষের শরীরে ঢুকিয়ে দেয়
এবং আমরা রোগগ্রস্ত হয়ে পড়ি। পুরুষ মশার হুলটি ভোঁতা বলে কামড়াতে পারে না, তাই এদের দিয়ে আমাদের কোনো ক্ষতি হয় না। অপকারিতা : অনেক রকম মশা আছে এবং সব ধরনের মশাই রোগ ছড়ায়। ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গি, ফাইলেরিয়া প্রভৃতি রোগ মশার কামড় খেয়েই হয়। এরা অন্ধকার, ভিজে ও নোংরা জায়গা পছন্দ করে এবং বদ্ধ জলে ডিম পাড়ে।
এবং আমরা রোগগ্রস্ত হয়ে পড়ি। পুরুষ মশার হুলটি ভোঁতা বলে কামড়াতে পারে না, তাই এদের দিয়ে আমাদের কোনো ক্ষতি হয় না। অপকারিতা : অনেক রকম মশা আছে এবং সব ধরনের মশাই রোগ ছড়ায়। ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গি, ফাইলেরিয়া প্রভৃতি রোগ মশার কামড় খেয়েই হয়। এরা অন্ধকার, ভিজে ও নোংরা জায়গা পছন্দ করে এবং বদ্ধ জলে ডিম পাড়ে।
উপসংহার : অত্যন্ত ক্ষতিকারক এই পতঙ্গটি যাতে বংশবিস্তার করতে না পারে, সেদিকে আমাদের
সকলেরই নজর দিতে হবে। মশার কামড় থেকে বাঁচতে প্রতিদিন মশারি টাঙিয়ে শোওয়া উচিত।
সকলেরই নজর দিতে হবে। মশার কামড় থেকে বাঁচতে প্রতিদিন মশারি টাঙিয়ে শোওয়া উচিত।