চলচ্চিত্র বা সিনেমা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Movies | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সূচনা : ছবি মাত্রেই স্থির ও মূক—তার নড়াচড়া করার ও কথা বলার ক্ষমতা নেই। আমাদের এই চিরাচরিত ধারণাকে ভেঙে দিয়েছে চলচ্চিত্র বা সিনেমা। পর্দার বুকে আলো-ছায়ার খেলায় ছবিকে নাড়াচাড়া করিয়ে এবং ছবিকে দিয়ে কথা বলিয়ে সিনেমা আশ্চর্য এক মোহময় দুনিয়া সৃষ্টি করেছে। এই কারণেই চলচ্চিত্র বা ছায়াছবির জনপ্রিয়তা সারা পৃথিবী জুড়ে। 

আবিষ্কার ও উপযোগিতা : ১৮৮০ খ্রিস্টাব্দে আমেরিকান বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন সিনেমা প্রদর্শন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। তবে, প্রথমদিকে সিনেমা ছিল নির্বাক, ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দের পর থেকে কেবলমাত্র সবাক চলচ্চিত্রই নির্মিত হতে থাকে। এখন দু ধরনের চলচ্চিত্র নির্মিত হয়—তথ্যচিত্র এবং কাহিনিচিত্র । কাহিনিচিত্র গড়ে ওঠে একটি কাহিনির উপর ভিত্তি করে—এই ধরনের চলচ্চিত্রই বেশি জনপ্রিয় এবং এগুলি ব্যবসায়িক ভিত্তিতে নির্মিত হয়। তথ্যচিত্র নির্মিত হয় কোনো একটি প্রামাণ্য ঘটনা বা বিষয়কে কেন্দ্র করে। এগুলি হয় স্বল্পদৈর্ঘ্যের এবং অ-ব্যবসায়িক। কাহিনিচিত্রগুলি ব্যবসায়িক বলে এতে নাচ-গান প্রভৃতি বিনোদনের উপকরণগুলি থাকে। স্বাভাবিকভাবেই অল্পবয়সি পড়ুয়াদের উপরে এর প্রভাব পড়ে। তারা পড়াশোনায় মনোযোগ না দিয়ে সিনেমা দেখতেই বেশি আগ্রহী হয় এবং অভিনেতাদের অনুকরণ করার চেষ্টা করে। 

উপসংহার : দু-একটি ক্ষতিকারক দিককে বাদ দিলে আজকের দিনে সিনেমার ব্যাপক প্রভাবকে অস্বীকার করার উপায় নেই। তাই ছবি-নির্মাতাদেরই উচিত, একে যথাসম্ভব শিক্ষণমুখী করে তোলা।

বেতার যন্ত্র বা রেডিয়ো - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Wireless Device | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সূচনা : ‘বেতার’ শব্দটির অর্থ : বিনা তার বা তারহীন অবস্থা। কোনো তারের সাহায্য না নিয়ে এক জায়গা থেকে আর এক জায়গায় কন্ঠস্বর বা শব্দ পাঠানোর ব্যবস্থাকে বলা হয় বেতার ব্যবস্থা। বেতার ব্যবস্থা আধুনিক বিজ্ঞানের একটি উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার।

আবিষ্কার ও উপযোগিতা : বিনা তারে সংবাদ প্রেরণের যন্ত্র আবিষ্কার করার কৃতিত্ব আমাদের দেশের বিখ্যাত বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুর। প্রায় সমসাময়িক সময়ে ইতালীয় বিজ্ঞানী মার্কনিও এই যন্ত্র আবিষ্কার করেন, ফলে অন্যতম আবিষ্কারক হিসেবে তাঁর নামটিও এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে। বেতার যন্ত্র আবিষ্কারের ফলে যে কোনো শব্দ ও সংকেতকে বহু দূরে পাঠানো সম্ভব হয়েছে। ফলে এই যন্ত্রকে কাজে লাগিয়ে গান, বাজনা, খবর, নাটকের সংলাপ প্রভৃতি সম্প্রচার করা সম্ভব হয়েছে। তাই রেডিয়ো হয়ে উঠেছে বিনোদনের একটি মাধ্যম। বেতার যন্ত্র আকারে ক্রমশ ছোটো এবং বহনযোগ্য হওয়ায় এর জনপ্রিয়তাও খুব বেড়েছে। এই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে বর্তমানে রেডিয়োকে শিক্ষাবিস্তার এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানোর কাজেও ব্যবহার করা হচ্ছে। 

উপসংহার : টেলিভিশন বা দূরদর্শনের ব্যাপক জনপ্রিয়তার ফলে রেডিয়ো তার জনপ্রিয়তা হারাচ্ছিল। এফ.এম. চ্যানেলগুলি আসার পরে রেডিয়ো আবার তার হারানো মর্যাদা অনেকটা ফিরে পেয়েছে। তবে শুধু গান-বাজনার মধ্যে এর জনপ্রিয়তাকে সীমাবদ্ধ না রেখে শিক্ষা বিস্তার এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বিস্তারের কাজেও এর বহুল ব্যবহার হওয়া উচিত।

ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Bidhan Chandra Roy | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সূচনা : ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় ছিলেন ধন্বন্তরি চিকিৎসক, পরবর্তীকালে হলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের প্রধান প্রশাসক হিসেবে তিনি এতটাই সফল যে চিকিৎসাবিদ্যায় তাঁর অসামান্য পারদর্শিতাও যেন তার কাছে ম্লান হয়ে গেল। তাঁকে বলা হয় ‘পশ্চিমবঙ্গের রূপকার’। 

পরিচয় : ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দের ১ জুলাই বিহার রাজ্যের পাটনা শহরে বিধানচন্দ্র রায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম প্রকাশচন্দ্র রায় এবং মাতার নাম অঘোরকামিনী দেবী। কৃতী ছাত্র বিধানচন্দ্র চিকিৎসাবিদ্যা পড়ার জন্য কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভরতি হন। সেখান থেকে পাস করে তিনি উচ্চতর পড়াশোনার জন্য ইংল্যান্ড যান। দেশে ফিরে আসার পর তিনি চিকিৎসক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এবং অদ্বিতীয় চিকিৎসক হিসেবে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। তিনি রাজনীতিতেও যোগ দেন এবং সেখানেও কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী হন এবং রাজ্যটিকে নতুন করে গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করেন। তাঁরই মুখ্যমন্ত্রীত্বকালে দুর্গাপুর শহর ও ইস্পাত প্রকল্প, কল্যাণী উপনগরী, হরিণঘাটা দুগ্ধ প্রকল্প, লবণ হ্রদ পুনরুদ্ধার করে সল্ট লেক সিটি, দিঘা পর্যটন কেন্দ্র, কলকাতা রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থা ইত্যাদি প্রকল্পগুলি রূপায়িত হয়। দেশ গড়ার কাজে অসামান্য অবদানের জন্য তাঁকে ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দে ‘ভারতরত্ন’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দের ১ জুলাই তাঁর মৃত্যু হয়। 

উপসংহার : পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যটি যতদিন থাকবে, ততদিন পর্যন্ত রাজ্যটি পুনর্গঠনে তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। চিকিৎসক হিসেবে তাঁর কৃতিত্বকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য প্রতি বছর ১ জুলাই দিনটিকে সারা ভারতে ‘চিকিৎসক দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

শ্রীঅরবিন্দ - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Sri Aurobindo | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সূচনা : অরবিন্দ ছিলেন এক সময়ে বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রামীদের গুরু, আবার তিনিই পরবর্তীকালে হলেন অধ্যাত্মজগতের এক স্মরণীয় মানুষ। রাজনীতি এবং অধ্যাত্মজগৎ—উভয় দিকেই সমান স্মরণীয় হয়েছেন, পৃথিবীতে এমন মানুষ বড়ো একটা দেখা যায় না। 

পরিচয় : ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দের ১৫ আগস্ট অরবিন্দ জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পূর্বাশ্রমের নাম ছিল অরবিন্দ ঘোষ। তাঁর পিতা কৃষ্ণধন ঘোষ ছিলেন পেশায় চিকিৎসক। তিনি সাহেবি আচার-আচরণ পছন্দ করতেন, ছেলেকেও পুরোপুরি সাহেবি আচরণে অভ্যস্ত করাতে অল্প বয়সেই তিনি তাঁকে ইংল্যান্ডে পাঠিয়ে দিলেন। কৃতী ছাত্র অরবিন্দ সেখানে আই.সি.এস. পরীক্ষায় উচ্চ স্থান অধিকার করেন। দেশে ফিরে এসে গুজরাতের বরোদা কলেজে তিনি অধ্যাপনার কাজ নেন। স্বামী বিবেকানন্দের মন্ত্রশিষ্যা ভগিনী নিবেদিতার কথায় ওই কাজ ছেড়ে তিনি বাংলায় আসেন এবং অচিরেই স্বাধীনতা সংগ্রামীদের নেতা হয়ে ওঠেন। কিছুদিন পরে একটি বোমার মামলায় পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে এবং তাঁর কারাদণ্ড হয়। কারাগারে থাকার সময় তাঁর দিব্যদর্শন হয় এবং মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়ে মুক্তিলাভের পর তিনি পণ্ডিচেরিতে চলে যান। সেখানে আশ্রম প্রতিষ্ঠা করে তিনি ঈশ্বর-সাধনায় মগ্ন হন এবং তাঁর নতুন নাম হয় ‘শ্রীঅরবিন্দ’। দীর্ঘ ৪০ বছর তিনি সাধনা করেছেন। 

উপসংহার : আজ শ্রীঅরবিন্দ এবং তাঁর পণ্ডিচেরি আশ্রমের পৃথিবীজোড়া নাম। ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দের ৫ নভেম্বর এই মহাসাধক পৃথিবী ছেড়ে চলে যান।

আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Acharya Jagdishchandra Bose | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সূচনা : আপাতদৃষ্টিতে যে গাছকে নিষ্প্রাণ জড় পদার্থ বলে মনে হয়, তারও প্রাণ আছে এবং প্রাণীদের মতো তারাও বিভিন্ন অনুভূতিতে সাড়া দেয়, এ কথা প্রথম বলে সারা পৃথিবীকে চমকে দিয়েছিলেন এক বাঙালি বিজ্ঞানী। এই বরেণ্য বিজ্ঞানীর নাম জগদীশচন্দ্র বসু। রেডিয়ো বা বেতার যন্ত্রেরও আবিষ্কর্তা তিনি। 

পরিচয় : ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশের ঢাকা জেলার রাঢ়িখাল গ্রামে জগদীশচন্দ্র জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ভগবানচন্দ্র বসু ছিলেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। কৃতী ছাত্র জগদীশচন্দ্র বি.এ. পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবার পর লন্ডনে পড়তে যান। সেখান থেকে উচ্চ ডিগ্রি নিয়ে দেশে ফিরে এসে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে অধ্যাপনা শুরু করেন। পড়ানোর পাশাপাশি তিনি বৈজ্ঞানিক গবেষণাও চালিয়ে যেতে থাকেন। প্রকৃতপক্ষে গবেষক হিসেবেই তাঁর পৃথিবীজোড়া খ্যাতি। বেতার যন্ত্র আবিষ্কার এবং উদ্ভিদের প্রাণ আছে, এই সত্য আবিষ্কার তাঁর অসামান্য কীর্তি। সারা জীবনই তিনি গবেষণা নিয়ে ব্যস্ত থেকেছেন। বৃদ্ধ বয়সে অতিরিক্ত পরিশ্রমে তাঁর স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ে। ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দে গিরিডিতে তিনি পরলোকগমন করেন। 

উপসংহারঃ আজ ভারত বৈজ্ঞানিক গবেষণায় অনেক এগিয়ে গেছে, এর মূলে রয়েছে জগদীশচন্দ্রের প্রচেষ্টা। তিনিই নিজের জমানো সমস্ত অর্থ ব্যয় করে ‘বসু বিজ্ঞান মন্দির' নামে ভারতের প্রথম গবেষণাগারটি তৈরি করেন এদেশে বিজ্ঞানচর্চা ছড়িয়ে দেবার জন্য।

কালীপূজা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Kali Puja | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সূচনা : দুর্গাপূজা বাঙালি হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ পূজা হলেও কালীপূজার আকর্ষণ তার কাছে একটুও কম নয়। বাঙালিদের সম্বন্ধে বলা হয়, তারা স্বভাবতই মা কালীর ভক্ত। কালীপূজাকে ঘিরে বাঙালিদের মধ্যে দুর্গাপূজার মতোই উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। 

প্রতিমার বর্ণনা ও পূজার সময় : দেবী কালীর অন্য নাম শ্যামা। তিনি শ্যামবর্ণা বা ঘোর কালো গাত্রবর্ণবিশিষ্ট। তাঁর গলায় মুণ্ডমালা, শায়িত মহাদেবের উপরে তিনি দাঁড়িয়ে। তাঁর এক হাতে মুণ্ড, এক হাতে খাড়া, এক হাতে ফুল এবং আর এক হাতে তাঁর বরাভয় মুদ্রা। দেবীর দু পাশে ডাকিনী-যোগিনীরা দাঁড়িয়ে। কালী হলেন অন্যায় ও অসুন্দরের প্রতীক অসুরের হত্যাকারিণী। দুর্গাপূজা শুরু হওয়ার ঠিক একুশ দিন পর অমাবস্যার নিকষ-কালো অন্ধকার রাতে দেবীর পুজো হয়। সেদিন সন্ধ্যায় দীপাবলি উৎসব হয়, সেই উৎসবে আলোর মালায় চারদিক আয়োজন করা হয়। আলোকিত হয়ে ওঠে। মনের নানা অন্ধকার দূর করার আকাঙ্ক্ষা নিয়েই যেন এই প্রতীক আলোর উৎসবের তুলনা হয় না।

উপসংহার : কালীপূজোতে শারদীয়া উৎসবের সমাপ্তি, যা শুরু হয়েছিল দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে। আলোর মালায় দুর্গোৎসবের শুরু, উৎসবের মরসুমের শেষও দীপাবলির আলোকমালা দিয়ে। সত্যি, বাঙালির ভাবনার তুলনা হয় না।

মশা - বাংলা রচনা | Bengali Essay on Mosquito | Bangla Paragraph Writing for Class 1-2-3-4-5-6

সূচনা : মশা একটি অতি ক্ষুদ্র পতঙ্গ, কিন্তু মানুষের অপকার করতে এর জুড়ি নেই। এর বংশবৃদ্ধি যত
রোধ করা যায়, ততই আমাদের মঙ্গল।

 আকৃতি ও বৈশিষ্ট্য : মশা অতি ক্ষুদ্র রক্ত-শোষক পতঙ্গ। এদের ডানা আছে এবং এরা খুব দ্রুত উড়তে পারে। ওড়ার সময়ে ভোঁ ভোঁ আওয়াজ হয়। আওয়াজ শোনা গেলেও এদের ধরা বা মারা সহজে সম্ভব হয় না। স্ত্রী মশার দেহে খুব সূক্ষ্ম ও তীক্ষ্ণ হূল থাকে। সূঁচের মতো ওই হ্বলটি আমাদের চামড়ার ভেতর ঢুকিয়ে এরা শরীর থেকে রক্ত শুষে নেয়। সে সময়ে নানা ক্ষতিকারক রোগের জীবাণু মানুষের শরীরে ঢুকিয়ে দেয়
এবং আমরা রোগগ্রস্ত হয়ে পড়ি। পুরুষ মশার হুলটি ভোঁতা বলে কামড়াতে পারে না, তাই এদের দিয়ে আমাদের কোনো ক্ষতি হয় না।  অপকারিতা : অনেক রকম মশা আছে এবং সব ধরনের মশাই রোগ ছড়ায়। ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গি, ফাইলেরিয়া প্রভৃতি রোগ মশার কামড় খেয়েই হয়। এরা অন্ধকার, ভিজে ও নোংরা জায়গা পছন্দ করে এবং বদ্ধ জলে ডিম পাড়ে। 

উপসংহার : অত্যন্ত ক্ষতিকারক এই পতঙ্গটি যাতে বংশবিস্তার করতে না পারে, সেদিকে আমাদের
সকলেরই নজর দিতে হবে। মশার কামড় থেকে বাঁচতে প্রতিদিন মশারি টাঙিয়ে শোওয়া উচিত।